রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
বিএসসি তে শত অপরাধের বরপুত্র ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান-কে ঘিরে আবারও শোরগোল,গুঞ্জন,সমালোচনায় মুখরিত,,
ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের খুঁটির জোর-কি নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক,,?
মোঃ শাহরিয়ার রিপন ঃ- চট্টগ্রাম ব্যুরো ১৮ই অক্টোবর ২০২৬ ইং
বিএসসির’র সাবেক জিএম ডিপিএ ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে, ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিওর (DP) যার স্মারক নং ১৮.১৬.০০০০.৩৫২.১১.১৭৫.২৬/৬৪১ তারিক ০৯/০৮/২০২৬ ,ডিপার্টমেন্টাল অফ শিপিং থেকে প্রাথমিক প্রমানিত হওয়ায় , ভুয়া সি-টাইম,ভুয়া মাস্টার সনদ, ( তথ্যে দেখা যায় ) এম ভি আসাদুল্লাহ স্ক্রাব হিসেবে ঘোষণা হয়েছে ২০১৪ সালে অথচ ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান মাস্টার পদে এম ভি আসাদুল্লাহ’র কাগজপত্র জমা দিয়েছেন ২০১৭- ২০১৮ সালের যা সম্পুর্ন জালিয়াতি।
তাছাড়া বিএসসি তে জিএম এসপিডি স্ব পদে বহাল থাকা অবস্থায় ১৩/১০/২০২২ ইং থেকে ২৪/১০/২০২২ ইং পর্যন্ত এম ভি জয়যাত্রা,এবং ৩০/১১/২০২২ ইং ৩০/১২/২০২২ইং পর্যন্ত এম ভি বাংলার অর্জন, এবং ১২/১০/২০২৩ইং হতে ২২/১০/২০২৩ ইং এম ভি বাংলার জয়যাত্রা’য় আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান মাস্টার হিসাবে কিভাবে যোগদান করেন, যা সম্পুর্ন আইন পরিপন্থি,
আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান উপমহাব্যবস্থাপক ( মহাব্যবস্থাপক অ:দা:) শিপ পার্সোনেল বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন এর পেশাগত যোগ্যতা ক্লাস – ১ সনদের বৈধতা ও বিএসসিতে নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন যার স্মারক নং ১৮.১৬.০০০০.৩৭৫.১৩.০১.২৪ তারিখ ১০/১২/২০২৪ইং মন্ত্রণালয়ে অভিযোগের স্মারক নং ১৮.০০.০০০০.০২৩.২৭.১২৩.১৮.৭১ তারিখ ০৫/১২/২০২৪ ইং
মিনিস্ট্রি অফ শিপিং এ তদন্তের রিপোর্ট উপেক্ষা করে যার স্মারক নং ১৮.০০.০০০০.২০১.০০.০৫০.২৫ তারিখ ১৫ /১২/২০২৫ ইং,ভুয়া ডিক্লেয়ারেশন, চট্টগ্রাম সিএমএম আদালতে ফৌজদারী মামলা নং ৭১৩/২০২৫ ইং, নাবিক হয়রানির দোষে অভিযুক্ত হয়ে বরিশাল মেরিন একাডেমি-তে সংযুক্তি, স্বজন প্রীতি, নাবিকদের হয়রানি,সিলেকশনে অনিয়ম,বেতন বৈষম্য, শ্রম আইন পরিপন্থী, স্বৈরাচারী কর্মকান্ড,COP জ্বাল সনদ, মিথ্যা তথ্য, ৬টি নতুন জাহাজে অদক্ষ ক্যাপ্টেন ও চিপ ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ, বিএসসি নিয়োগ বিধিমালা ভঙ্গ করে বেশি ডলারে চুক্তিভিত্তক নিয়োগ দ্বারা তার ব্যক্তিগত স্বেচ্ছাচারিতার কারণে আর্থিক ক্ষতি সাধন করার প্রমাণিত হওয়া সত্বেও তাকে বিভাগীয় আওতায় ব্যাবস্থা গ্রহণ না করে SPD বিভাগ থেকে GM( DPA,CEO )পদে পদোন্নতি দিয়ে প্রতিষ্ঠান কে সীমাহীন আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন ও বৈষম্যের সৃষ্টি হয়।
দুদকের প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয় যার স্মারক নং ০০.০১.২৬০০.৬০৩,০১.১০.১০.২৫/১৪৩২৪ তারিখ ১৬/০৩/২০২৬ইং বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজের ক্যাপ্টেন কে তার কমান্ড মেনে “ রাশিয়ান নেভি” নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যুদ্ধ সিমানায় জাহাজ নিয়ে যাওয়ার কারনে বিএসসি হারায় একটি নতুন জাহাজ, ও একজন চৌকস অফিসার হাসিবুল ইসলাম কে, অদক্ষ ও পূর্বপরিকল্পিত ভাবে মোটা অংকের টাকার কন্টাক্টে তার নিজ এলাকার লোক নিয়োগ দিয়ে ৩ নাবিক পলায়ন করে ব্রাজিলে যার তদন্ত চলমান।
বাংলার সৌরভ জাহাজ এ আগুন লেগে এক নাবিক ও বাংলার জ্যোতি জাহাজে আগুন লেগে প্রাণ হারায় একজন নবীন ক্যাডেট ও ২ জন ওয়ার্কশপ শ্রমিক।
সৈয়দ আমানউল্লাহ পদবি ঃ- বসান সিডিসি নং BSC/CLT/ 172 বাংলার সৌরভ কার্পেন্টার পদে জাহাজে যোগদান করাইয়া ৫ মাসের মাথায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান জাহাজ থেকে জোর পূর্বক নামাইয়া দেয়, তা এখনও পর্যন্ত সাইন অফ ও জাহাজে পুনরায় যোগদানের কোন ব্যাবস্থা করেননি।
মোঃ আলাউদ্দিন, মেরিন ইলেক্ট্রো টেকনিক্যাল অফিসার নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়ের নির্দেশ বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন আইন ১৯৭২ এবং বিমা নীতি ও মেরিটাইম স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী “এম টি বাংলার অগ্রগতি” জাহাজে দায়িত্ব পালনকালে চোখ মস্তিষ্কে আঘাতজনিত ক্ষতিপূরণ বকেয়া মূল বেতন চিকিৎসা ও পুনর্বাসন বাবদ প্রাপ্য অর্থ প্রদান এবং ইউরোপে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েও কোন সুরাহা পাইনি এখনও।
মোঃ সোহানূর রহমান সোহান সিডিসি নাম্বার টি/৩৫৬১০ পদবি – ট্রেইনিং ফায়ারম্যান। তাকে কয়েক দফায় মারপিট করে, কারন তাকে জাহাজে উঠাতে ২ লক্ষ টাকা ধার্য্য করেন সেই টাকা দিতে না পারায় অমানবিক শারীরিক নির্যাতন করেন ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান।
জাহাজে নাবিক ইঞ্জিনিয়ার যে-ই যায় প্রথম কন্টাক্ট ক্যাপ্টেন আমির মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের,চাকুরী পেতে পদ পদবি অনুযায়ী টাকার ডিমান্ড, চাকুরী চলাকালীন সেলারীর কমিশন, কথা না শুনলে কপালের দুর্গতি, বেতন বৈষম্যর মুল কারণ সেলারীর কমিশনে রাজি হওয়া না-হলে চাকুরির নাম সোনার হরিণ, বেশি ডলারের চাকরি দেওয়া আর না দেওয়া সেইটা ক্যাপ্টেন আমির মোঃ আবু সুফিয়ানের স্বেচ্ছাচারিতার উপর নির্ভর করতো।
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন সী-ম্যান্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এই অভিযোগ সহ আরো শত শত অভিযোগ করেন। কিন্তু তাকে এখনও বরিশাল মেরিন একাডেমি তে বহাল রাখা হয়েছে।
হ্যামিলিয়নের বাঁশিওয়ালা খ্যাত ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, মনোনীত হয়েছেন ফের প্রমোশন এর জন্য। যেখানে সাবেক বিএসসি-র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডোর এম মাহমুদুল মালেক, তার সকল অপরাধের তথ্য প্রমান পাওয়ায় ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে ডিপি লেটার জমা দেন, অথচ বিএসসি-র নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডোর ফজলার রহমান দ্বায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ১১৫ টির বেশি অপরাধে অভিযুক্ত থাকা সত্বেও গুঞ্জন উঠেছে অপরাধের বরপুত্র ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান আবারও প্রত্যাবর্তন করছেন বিএসসিতে, সমালোচনায় ঝড় উঠেছে তার ফিরে আসার গুঞ্জনে,বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন সি-ম্যান্স এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ১১৫ টি অভিযোগের প্রমাণপত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর,একান্ত সচিব মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় একান্ত সচিব নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়,দুর্নীতি দমন কমিশন,ডিজি শিপিং ঢাকা, বরাবরে অভিযোগ ০৫/১০/২০২৬ইং তারিখে জমা দিয়ে বিএসসি’র নবাগত ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডোর ফজলার রহমানকে চ্যালেন্স ছুড়ে দিয়েছেন।
যাকে চাকুরীচ্যুত করার জন্য ডিপি দিলেন সাবেক এমডি সেখানে এই ভয়ংকর অপরাধী-কে বিএসসি তে প্রমোশন সহ ফিরে আনার জন্য যে তোড়জোড় শুরু হয়েছে তার পিছনে ষড়যন্ত্রের হাত কার,,?
বিএসসি তে তাকে ফিরিয়ে না আনার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন দিয়েছেন বাংলাদেশ কর্পোরেশন সি ম্যান্স এসোসিয়েশন।
ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ানের দুর্নীতির ফিরিস্তির বিস্তারিত তথ্য নৌমন্ত্রণালয়, ডিজি শিপিং, সহ সংশ্লিষ্ট দফতরে থাকা সত্বেও তিনি কি ফিরে আসবেন বিএসসি তে,,??
এছাড়াও আরো বহু অভিযোগ রয়েছে,
যেখানে ক্যাপ্টেন আমীর মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান কে দায়ী করে বরখাস্ত করার সুপারিশ জানিয়েছেন, সরাসরি তার নামে অভিযোগ গুলো বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ও বাংলাদেশ নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছে, তার বিরুদ্ধে এত এত অভিযোগ থাকার পরেও তার বিরুদ্ধে কেন বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে জানান ভুক্তভোগীরা। শত শত বার অপরাধ করার পরও আবারও প্রমোশন,,প্রশ্ন সিবিএ’র?
আসলেই তার পিছনে রয়েছে মহা শক্তি যাই করুক যা-ই বলুক সব-ই ফু দিলে ধুলিস্যাৎ হয়ে যায় কে সেই খুটি,,,,,,.??
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও কর্মকর্তা বৃন্দ, দুদকের তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরেও কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তাকে প্রমোশনের জন্য সিলেক্ট করা হচ্ছে গুঞ্জনে প্রশ্ন প্রশ্ন আর প্রশ্ন নয় রিতিমত হতাশা সহ গুঞ্জনে গুঞ্জনে পরিনত বিএসসি”র সকল দপ্তর ও সিবিএ।
দুদক তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়া সত্বেও জাল সার্টিফিকেট দিয়ে এখনও চাকুরিতে বহাল থাকার বিষয়টি সম্পুর্ন ন্যাক্কারজনক রীতিমত প্রশ্নের।
নানান অভিযোগের পর অভিযোগ জমা পড়লেও কোন ব্যাবস্থা নেয়নি বিএসসি ও নৌ মন্ত্রণালয়।
তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন সিবিএ এর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ভুক্তভোগী মেরিনার’রা।
কে সেই অদৃশ্য শক্তি দানবের হাত, যার হানায় ধূলিসাৎ হয়ে যায় সকল দুর্নিতি ও অভিযোগ, কে এই খুটি ,,,,?
তার খুঁটির জোর কোথায়,,???